পৃথিবীর সকল দেশে মাহে রমজান উপলক্ষে বিশেষ ছাড় থাকলেও বাংলাদেশ যেন এক ব্যাতিক্রমধর্মী উদাহরণ।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় সকল জিনিসের দাম আকাশচুম্বী, মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত পরিবারের স্বল্প আয়ে সংসার চালানো এখন যেন অভিশাপস্বরূপ । সরকারি বিভিন্ন তদারকি চলমান থাকার পরেও কমছে না সিন্ডিকেট । খুচরা বিক্রেতারা দুষছেন পাইকার আড়ৎদার দের আর পাইকার দের বক্তব্য যে তারা অতিরিক্ত মূল্য রাখছেন না ।
বাজার ঘুরে দেখা যায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজিতে, যা গত বছর ছিল ৩০-৩৫ টাকা। শতাংশের হিসেবে এক বছরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২২৩ শতাংশ । শুধু পেঁয়াজ নয় ছোলা, সয়াবিন তেল, চিনি, খেজুরসহ অন্যান্য ফল, ডাল, মুড়ি, আলু, বেগুন, ইসবগুল, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, লেবু, পুদিনা পাতা, সস এবং জুস আরও যেসব পণ্য আছে তার সবকিছুরই দাম বেড়েছে।এসব পণ্যের বেশিরভাগই ইফতার তৈরিতে ব্যবহৃত হয় ।
বিশ্লেষকদের মতে , রমজান আসলে চাহিদা বেশ অনেকগুণ বেড়ে যায় আর এরই সুযোগ নেয় কতিপয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী, এতে করে তৃণমূল পর্যায়ে বেড়ে যায় জিনিসপত্রের দাম । আবার অনেকেই দুষছেন ডলার সংকট থাকায় আমদানি নির্ভর পণ্যগুলোর দাম বেড়ে যাচ্ছে । আবার পণ্য প্যাকেটজাত করণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক আদায় হচ্ছে মোড়ক/ প্যাকেট এর উপর তাই পণ্যএর দাম কম থাকলেও , শেষ মেশ আর খরচ কম হচ্ছে না তাই পণ্যের বাজার ও থাকছে অস্থিতিশীল।
বিশ্লেষকদের মতামত সঠিক মনিটরিং এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের কে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে পারলেই কেবল হয়তো কিছু স্বস্তির মুখ দেখবে জনগণ ।

0 Comments